মুসলমানের দ্বীন ইসলাম কি শান্তি প্রতিষ্ঠার ধর্ম?
ধর্মের অন্তরালে অধর্ম, অপকর্ম, অবাধ যৌনতা, যুদ্ধ ও রক্তপাতের ইতিহাস।
নবী মুহাম্মদ কে ছিলেন?
ধর্ম প্রচারকে সামনে রেখে নিজস্ব যৌনতা, ক্ষমতা ও অর্থের লিপ্সাই যার প্রধান উদ্দেশ্য। ১৪০০ বছর আগে ইসলাম প্রতিষ্ঠা, জিহাদের নামে বিভিন্ন গোত্রের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া। যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের গণিমতের মাল হিসেবে জোরপূর্বক যৌনমিলনে বাধ্য করা, দাসী হিসেবে বিক্রি করা ও ধর্ষণ করা—নবী মুহাম্মদের কর্মকাণ্ডের অংশ ছিল। বন্দিনী নারীদের ঋতুচক্র পর্যন্ত অপেক্ষা করা হতো তাঁরা গর্ভবতী কি না নিশ্চিত হওয়ার জন্য। এটি নিশ্চিত হওয়ার পরই নবী মুহাম্মদ ও তাঁর কথিত সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হতো এসব নারীদের। যা ছিল আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগে নবীর বর্বরতার একটি অধ্যায়।
নবী মুহাম্মদ ছিলেন অবাধ যৌনাচারী পুরুষ। ১১ স্ত্রী, ২ যৌনদাসী থাকার পরও অসংখ্য নারীর সঙ্গে ধর্মের নামে যৌনতায় জড়িয়েছেন। একজন এপস্টিন নবী হিসেবে শিশু ধর্ষণের মতো অপরাধকর্মে জড়িত ছিলেন।
মুসলমানের সমগ্র কোরানজুড়ে নবী মুহাম্মদের স্ত্রী, দাস-দাসী ও যৌনতার গল্প। কোরান এমন এক গ্রন্থ, যেখানে আয়াতের পরতে পরতে নবী মুহাম্মদের যৌনতার নির্যাস। এটি আসমানি কিতাব কী করে হয়—এটি বেশ সংশয়ের।
নবী মুহাম্মদ মাত্র ৬ বছর বয়সের শিশু আয়েশাকে ধর্ষণ করেন বিয়ের নামে। এবং এ বিয়ের বৈধতা দেন স্বয়ং কথিত রূপকথার আল্লাহ, কোরানের আয়াত নাজিলের মাধ্যমে। স্বয়ং আল্লাহ তাঁর নবীকে ধর্ষণের অনুমতি দিচ্ছেন। কত মহান তিনি তাঁর সৃষ্টিকুলের প্রতি।
এই হচ্ছে মুসলমানের পবিত্র কিতাব কোরান আর দ্বীন ইসলামের শান্তি।
