নবী মুহাম্মদকে বিশ্বাস করতে হবে—এমন বুদ্ধিভ্রংশ এখনো হয়নি। আল-তাকিয়া বা ধোঁকাবাজিটাই তাদের কথিত এই ধর্মের অন্তর্গত।
ধর্ম যুগ যুগ ধরে চাপিয়ে দেওয়া ভ্রান্ত বিশ্বাস। পরম্পরা ধরে চলে আসা এক নিজেকে অধিষ্ঠিত করার কামনা। কথিত রূপকথার আল্লাহ মনোনীত ধর্ম নিয়ে কোনো মুসলমান প্রশ্ন বা যুক্তি উপস্থাপন করলেই মুনাফিক বা মুরতাদ হয়ে যায়। নাস্তিক্যবাদ একমাত্র সেই বিজ্ঞানভিত্তিক জিজ্ঞাসা। চার্বাক ঋষির নাস্তিক্যবাদ সনাতন ধর্মেই আছে।
নাস্তিক্যবাদের অনেক উপাদান আছে ধর্মে। বিষয়ভিত্তিক জিজ্ঞাসা থেকেই নাস্তিক্যবাদের উদ্ভব। নাস্তিক্যবাদকে উপজীব্য করেই ধর্মের বিভিন্ন শ্লোক গড়ে উঠেছে।
ইসলাম ধর্মের কোরআন বলে, আল্লাহর সমকক্ষ কেউ নেই। কিন্তু নাস্তিক্যবাদ প্রশ্ন করে—কে এই আল্লাহ? আল্লাহ কি পুরুষ, না নারী? আল্লাহ কি যৌনতাহীন? এক অদ্ভুত বিভ্রান্তির উপর দাঁড়িয়ে ইসলাম। এর দিকভ্রান্ত, অদেখা আল্লাহয় বিশ্বাসী একদল বিশাল জনগোষ্ঠী ছড়িয়ে পড়ছে। এর সঙ্গে ধর্মীয় উন্মাদনা, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, যৌনতা, জান্নাতে হুরের সুসংবাদ—অথচ এমন এক খোদা এই হুরের সুসংবাদ তাঁর নবীর মাধ্যমে পাঠিয়েছেন, যে খোদার নিজেরই যৌন পরিচয় নেই। নবী মুহাম্মদ নিজেও শুকরের মতো একাধিক স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সুখে উন্মুক্ত হয়ে থাকতেন।
প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসা থেকেই ভ্রান্তি দূর করতে নাস্তিক্যবাদ ও মুক্তমতের প্রসার ঘটানো প্রয়োজন।
